• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :

ইঞ্জিন চালকের হাতে মার খেলেন কলেজ শিক্ষক

লাঞ্চিতপার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: ভিড়ে ঠাঁসা ট্রেনের বগিতে উঠতে না পেরে ইঞ্জিনে উঠে পড়ায় ইঞ্জিন (নং-২৩০৮) চালকের হাতে মার খেলেন দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ইছামতি মহিলা ডিগ্রী কলেজের বাংলার প্রভাষক দেবব্রত বাগচী (৩৫)। গতকাল সোমবার সান্তাহার থেকে দিনাজপুরগামী ৭আপ মেইল ট্রেনে এঘটনা ঘটে। এব্যাপারে মঙ্গলবার অভিযুক্ত সহকারী ট্রেন চালক আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে পার্বতীপুর স্টেশন মাষ্টারের নিকট অভিযোগ করা হয়েছে।
জানা গেছে, সোমবার গাইবান্ধার গ্রামের বাড়ী থেকে ৭-আপ ট্রেনে কর্মস্থল দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে আসছিলেন প্রভাষক দেবব্রত বাগচী। গাইবান্ধার বামনডাঙ্গা রেল স্টেশন থেকে পার্বতীপুর পর্যন্ত টিকিট কেটে তিনি ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করেন। কিন্তু ট্রেনে প্রচন্ড ভিড় থাকায় শেষ পর্যন্ত অনেকের সাথে তিনিও ইঞ্জিনে উঠে পড়েন। কিছুক্ষনের মধ্যে ইঞ্জিনের সহকারী চালক আজিজুল ইসলাম ইঞ্জিনে উঠা প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০-৩০ টাকা করে আদায় করতে থাকেন। এরই এক পর্যায়ে প্রভাষক দেবব্রত বাগচীর কাছে টাকা দাবি করলে তিনি টিকেট দেখিয়ে টাকা দিতে অস্বীকার করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সহকারী ইঞ্জিন চালক তাকে সার্টের কলার ধরে অকথ্যভাষায় গালিগালাজ ও কিলঘুষি মারেন। পরে ট্রেনটি পীরগাছা রেল স্টেশনে পৌছুলে তাঁকে জোর করে ইঞ্জিন থেকে নামিয়ে দেয়া হয়। পীরগাছা থেকে তিনি ভিড়ে ঠাসা বগির হাতল ধরে বাঁদুড় ঝোলা হয়ে পার্বতীপুরে পৌছান।
এব্যাপারে তিনি ট্রেনের পরিচালক (গার্ড) আঃ রহিমের কাছে অভিযোগ করতে গেলে “অভিযোগ বই” নেই বলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। লাঞ্চিত প্রভাষক দেবব্রত বাগচী বলেন, প্রচন্ড ভিড়ের কারনে বগিতে উঠতে না পেরে আমি ইঞ্জিনে উঠতে বাধ্য হই।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে মোবাইল ফোনে অভিযুক্ত সহকারী ট্রেন চালক আজিজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি  মোবাইল ফোনে এতো কিছু বলা যাবে না বলে ফোন কেটে দেন।
এ বিষয়ে রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগের বিভাগীয় যন্ত্র প্রকৌশলী (লোকো) মনতাজুল ইসলাম জানান, তিনি এব্যাপারে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাননি, পেলে তদন্ত করে অভিযুক্ত চালকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ